ঢাকা, এপ্রিল ২৬ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- ইকুইটি এন্ড এন্টার্প্রেনরশিপ ফান্ডের (ইইএফ) পরিধি বাড়ানোর বিষয়ে সক্রিয়ভাবে ভাবা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমান।
মঙ্গলবার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, "উদ্যোক্তা সংস্কৃতি সৃষ্টির লক্ষে ইইএফ'র পরিধি কিভাবে আরো বিস্তৃত এবং উদ্যোক্তাবান্ধব করা যায়, সে বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষাগ্রহণকারী উৎসাহী শিল্প উদ্যোক্তাদের এই তহবিল ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া যায় কিনা, সেটিও আমরা ভাবছি।"
প্রথম ইকুইটি অ্যান্ড এন্টার্প্রেনরশিপ ফান্ডের (ইইএফ) আওতায় উদ্যোক্তাদের সঙ্গে মূলধন সহযোগিতায় সম-অংশীদারিত্ব গ্রহণ করে সরকার। ৮ বছরের জন্যে মূলধনের ৪৯ শতাংশ দেওয়া হয়ে থাকে। তিনবছর পর্যন্ত এর জন্য কোনো সুদ বা মুনাফার অংশ দিতে হয় না।
রাজধানীর জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ভবন (এনএসসি টাওয়ার) মঙ্গলবার প্রথম ইইএফ উদ্যোক্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। তিনশ উদ্যোক্তা এতে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফায়েকুজ্জামান বলেন, "বর্তমানে তিনটি খাতে ইইএফ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। খাতের পরিমাণ ও ক্ষেত্র আরো বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।"
গভর্নরের কাছে নিজেদের সমস্যার কথা তুলে ধরেন সরকারের সমঅংশীদারী উদ্যোক্তারা।
তারা জমির অবমূল্যায়ন, হয়রানি, দুনীর্তি, অপর্যাপ্ত আর্থিক সহায়তার বিষয় তুলে ধরেন।
বক্তারা বলেন, সরকার মূলধন সহায়তার নামে যে অর্থ দেয় তা আসলে প্রতিষ্ঠানের কল্যাণে খুব একটা কাজে আসে না। এছাড়া অর্থ ছাড়ে অনেক বেশি সময় লাগে।
গর্ভনর আতিউর রহমান তাদের এসব সমস্যা সমাধানে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
কৃষিভিত্বিতক প্রকল্পের খাতগুলো নতুন করে পর্যালোচনা, সময়োপযোগী করা ও আবেদন দাখিলের সময়সীমা উম্মুক্ত করা হবে বলে জানান গভর্নর আতিউর।
ইইএফ সহায়তাপ্রাপ্ত খাতের মাধ্যমে ১৬ হাজারের বেশি ব্যক্তির কর্মংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান ফায়েকুজ্জামান।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. আব্দুস সাত্তার মন্ডল, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক দাশগুপ্ত অসীম কুমার, উদ্যোক্তা ফারহানা আনোয়ার, মো. নুরুল হক প্রমুখ।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এসআইটি/পিডি/২৩৪২ ঘ.
মঙ্গলবার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, "উদ্যোক্তা সংস্কৃতি সৃষ্টির লক্ষে ইইএফ'র পরিধি কিভাবে আরো বিস্তৃত এবং উদ্যোক্তাবান্ধব করা যায়, সে বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষাগ্রহণকারী উৎসাহী শিল্প উদ্যোক্তাদের এই তহবিল ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া যায় কিনা, সেটিও আমরা ভাবছি।"
প্রথম ইকুইটি অ্যান্ড এন্টার্প্রেনরশিপ ফান্ডের (ইইএফ) আওতায় উদ্যোক্তাদের সঙ্গে মূলধন সহযোগিতায় সম-অংশীদারিত্ব গ্রহণ করে সরকার। ৮ বছরের জন্যে মূলধনের ৪৯ শতাংশ দেওয়া হয়ে থাকে। তিনবছর পর্যন্ত এর জন্য কোনো সুদ বা মুনাফার অংশ দিতে হয় না।
রাজধানীর জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ভবন (এনএসসি টাওয়ার) মঙ্গলবার প্রথম ইইএফ উদ্যোক্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। তিনশ উদ্যোক্তা এতে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফায়েকুজ্জামান বলেন, "বর্তমানে তিনটি খাতে ইইএফ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। খাতের পরিমাণ ও ক্ষেত্র আরো বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।"
গভর্নরের কাছে নিজেদের সমস্যার কথা তুলে ধরেন সরকারের সমঅংশীদারী উদ্যোক্তারা।
তারা জমির অবমূল্যায়ন, হয়রানি, দুনীর্তি, অপর্যাপ্ত আর্থিক সহায়তার বিষয় তুলে ধরেন।
বক্তারা বলেন, সরকার মূলধন সহায়তার নামে যে অর্থ দেয় তা আসলে প্রতিষ্ঠানের কল্যাণে খুব একটা কাজে আসে না। এছাড়া অর্থ ছাড়ে অনেক বেশি সময় লাগে।
গর্ভনর আতিউর রহমান তাদের এসব সমস্যা সমাধানে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
কৃষিভিত্বিতক প্রকল্পের খাতগুলো নতুন করে পর্যালোচনা, সময়োপযোগী করা ও আবেদন দাখিলের সময়সীমা উম্মুক্ত করা হবে বলে জানান গভর্নর আতিউর।
ইইএফ সহায়তাপ্রাপ্ত খাতের মাধ্যমে ১৬ হাজারের বেশি ব্যক্তির কর্মংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান ফায়েকুজ্জামান।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. আব্দুস সাত্তার মন্ডল, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক দাশগুপ্ত অসীম কুমার, উদ্যোক্তা ফারহানা আনোয়ার, মো. নুরুল হক প্রমুখ।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এসআইটি/পিডি/২৩৪২ ঘ.