চাহিদার তুলনায় ইইএফ অর্থছাড়ের পরিমাণ কম
৬১৩ কোটি টাকার বিপরীতে ছাড় ৩০ কোটি টাকা
বাণিজ্য ডেস্ক
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর নতুন করে 'ইক্যুইটি অ্যান্ড এন্টারপ্রিনারশিপ ফান্ড' (ইইএফ) চালু হলেও চাহিদা ও প্রকল্প অনুমোদনের তুলনায় অর্থ ছাড়ের পরিমাণ কম। গত দুই বছরে ইইএফের আওতায় ৬১৩ কোটি টাকার ৩৮০টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এর বিপরীতে গত জানুয়ারি পর্যন্ত মাত্র ৩৪টি প্রকল্পে ৩০ কোটি টাকারও কম অর্থ ছাড় দেওয়া হয়েছে।
এর আগে মঞ্জুরিকৃত ১৯টি কৃষিভিত্তিক প্রকল্পের বিপরীতে ছাড় করা হয়েছে প্রায় সাড়ে ৯ কোটি টাকা। অন্যদিকে ইইএফের সূচনালগ্ন (২০০০-২০০১ অর্থবছর) থেকে চলতি ২০১০-২০১১ অর্থবছরের জানুয়ারি পর্যন্ত ইইএফ খাতে দুই হাজার ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। কিন্তু অর্থ মন্ত্রণালয় এ পর্যন্ত মোট ৯২৫ কোটি টাকা ছাড় করেছে। এটা মোট বরাদ্দের অর্ধেকেরও কম। গত অর্থবছরের (২০০৯-২০১০) বাজেটে ইইএফ খাতে ৩০০ কোটি টাকার সংস্থান রাখা হয়েছিল। বর্তমানে ইইএফের আওতায় ৬৪৪টি কৃষিভিত্তিক প্রকল্প মঞ্জুরির জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে প্রক্রিয়াধীন। এগুলো বাস্তবায়ন করতে হলে আরো প্রায় ৮২০ কোটি টাকা ইইএফ সহায়তা প্রয়োজন। ২০০৫ সালের আগস্ট থেকে নতুন ইইএফ সহায়তার আবেদন গ্রহণ স্থগিত রাখা হয়েছিল। দীর্ঘ আড়াই বছর পর ২০০৮ সালের ২৭ এপ্রিল থেকে আইসিটি খাতে এবং একই বছরের ৪ ডিসেম্বর থেকে কৃষি খাতে ইইএফ সহায়তার জন্য পুনরায় আবেদন গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। এরপর কৃষি খাতে দুই হাজার ৯৭৮টি ও আইসিটি খাতে ১৫০টি আবেদন জমা পড়ে।
গত জানুয়ারি পর্যন্ত যাচাই-বাছাই করে কৃষিভিত্তিক ৩৬৬টি ও আইসিটি খাতে ১৪টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়।
শুরুতে ইইএফ ফান্ডের দায়িত্বে ছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। পরে তা ইন্ভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। তবে আইসিবি জানায়, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর ইইএফ নব উদ্যমে যাত্রা শুরু করেছে।
এর আগে মঞ্জুরিকৃত ১৯টি কৃষিভিত্তিক প্রকল্পের বিপরীতে ছাড় করা হয়েছে প্রায় সাড়ে ৯ কোটি টাকা। অন্যদিকে ইইএফের সূচনালগ্ন (২০০০-২০০১ অর্থবছর) থেকে চলতি ২০১০-২০১১ অর্থবছরের জানুয়ারি পর্যন্ত ইইএফ খাতে দুই হাজার ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। কিন্তু অর্থ মন্ত্রণালয় এ পর্যন্ত মোট ৯২৫ কোটি টাকা ছাড় করেছে। এটা মোট বরাদ্দের অর্ধেকেরও কম। গত অর্থবছরের (২০০৯-২০১০) বাজেটে ইইএফ খাতে ৩০০ কোটি টাকার সংস্থান রাখা হয়েছিল। বর্তমানে ইইএফের আওতায় ৬৪৪টি কৃষিভিত্তিক প্রকল্প মঞ্জুরির জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে প্রক্রিয়াধীন। এগুলো বাস্তবায়ন করতে হলে আরো প্রায় ৮২০ কোটি টাকা ইইএফ সহায়তা প্রয়োজন। ২০০৫ সালের আগস্ট থেকে নতুন ইইএফ সহায়তার আবেদন গ্রহণ স্থগিত রাখা হয়েছিল। দীর্ঘ আড়াই বছর পর ২০০৮ সালের ২৭ এপ্রিল থেকে আইসিটি খাতে এবং একই বছরের ৪ ডিসেম্বর থেকে কৃষি খাতে ইইএফ সহায়তার জন্য পুনরায় আবেদন গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। এরপর কৃষি খাতে দুই হাজার ৯৭৮টি ও আইসিটি খাতে ১৫০টি আবেদন জমা পড়ে।
গত জানুয়ারি পর্যন্ত যাচাই-বাছাই করে কৃষিভিত্তিক ৩৬৬টি ও আইসিটি খাতে ১৪টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়।
শুরুতে ইইএফ ফান্ডের দায়িত্বে ছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। পরে তা ইন্ভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। তবে আইসিবি জানায়, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর ইইএফ নব উদ্যমে যাত্রা শুরু করেছে।
No comments:
Post a Comment