উদ্যোক্তা সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর
ইইএফ ফান্ডের ১০ শতাংশ অর্থ নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বরাদ্দ দেয়া হবে
যাযাদি রিপোর্ট 
মুক্তিযোদ্ধা, নারী, উপজাতি উদ্যোক্তা, মঙ্গাপীড়িত এলাকা এবং পার্বত্য এলাকার ইইএফ ফান্ডের প্রকল্প মঞ্জুরিতে অগ্রাধিকার প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া, ইইএফ ফান্ডের ১০ শতাংশ অর্থ নারী উদ্যোক্তাদের জন্য সংরক্ষণের বিষয়টি সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। প্রকল্প ব্যয়ের সর্বনিম্ন সীমা ৫০ লাখ টাকা হতে ২০ লাখ টাকায় হ্রাস করা হয়েছে।
গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অফ বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ভবনে ইইএফ উদ্যোক্তা সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তেব্যে এসব কথা বলেন গভর্নর ড. আতিউর রহমান।
গভর্নর বলেন, ফান্ডের বিনিয়োগ ঝুঁকির কথাও মাথায় রাখতে হবে । এর আগে অনেক প্রকল্পের বাস্তবায়নে অনিয়ম লক্ষ্য করা গেছে। ইইএফ নীতিমালা সহজিকরণ করা হয়েছে ও সম্ভাবনাময় নতুন নতুন খাত অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধান বলেন, দেশের কৃষিজ সম্পদের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষিখাতের সম্প্রসারণের বিষয়ে ইইএফ সহায়তাপ্রাপ্ত প্রকল্পগুলো বিশেষ অবদান রাখছে। প্রাণিজ আমিষের উৎপাদন বৃদ্ধিতে ইইএফের মৎস্য এবং মুরগির বাচ্চা উৎপাদনকারী প্রকল্পগুলো বিশেষ অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। মৎস্য ও পোল্ট্রিখাতের উৎপাদন বৃদ্ধিতে ইইএফের আওতায় স্থাপিত উক্তখাতের খাদ্য উৎপাদনকারী প্রকল্পগুলোরও বিশেষ অবদান রয়েছে। কৃষিভিত্তিক প্রকল্প বিশেষত চিংড়ি প্রক্রিয়াজাতকারী প্রকল্প, কুমির চাষ প্রকল্প এবং আইসিটিখাতের রপ্তানিমুখী প্রকল্পসমূহ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে বিশেষ ভূমিকা রাখছে। আইসিটিখাতের প্রকল্পসমূহ দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদার নিরিখে উন্নতমানের সফটওয়্যার তৈরি করছে। এসব সফটওয়্যার দেশের বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও ক্লিনিক এবং পরিবহনখাতসহ অন্যান্যখাতে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে জানান ড. আতিউর রহমান।
ইইএফ এর পরিধি আরো বিস্তৃত ও আরো উদ্যোক্তাবান্ধব করার বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করে গভর্নর বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা গ্রহণকারী উৎসাহী শিল্পোদ্যোক্তারা যাদের প্রয়োজনীয় ইক্যুইটি নেই তাদের এই ফান্ড ব্যবহারের সুযোগ দেয়া যায় কিনা তা দেখা হচ্ছে। নারী উদ্যোক্তা, এনআরবিকে কিভাবে এ ফান্ডের আওতায় আরো সুবিধা প্রদান করা যায় সে বিষয়গুলোও ভাবা হচ্ছে। শিগগিরই কৃষিখাতে নতুন করে ইইএফ সহায়তার জন্যে আবেদন গ্রহণের উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানান তিনি।
ফান্ড থেকে বিগত আট বছরে (২০০১-০৮) যেখানে ২১৬টি কৃষিভিত্তিক প্রকল্পে ৫৬৮ কোটি টাকা মঞ্জুর করা হয়েছিল, সেখানে গত মাত্র দুবছরে (২০০৯-১০) ৪০১টি কৃষিভিত্তিক প্রকল্পে ৬৪২ কোটি টাকা এবং বিগত ছয় বছরে (২০০৩-০৭) যেখানে আইসিটিখাতে ৩৩টি প্রকল্পে ৫৮.৪১ কোটি মঞ্জুর করা হয়েছিল, সেখানে গত এক বছরে (২০০৯-১০) এ খাতে ১৪টি প্রকল্পে ১৮.৯৮ কোটি টাকা মঞ্জুর করা হয়েছে
গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অফ বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ভবনে ইইএফ উদ্যোক্তা সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তেব্যে এসব কথা বলেন গভর্নর ড. আতিউর রহমান।
গভর্নর বলেন, ফান্ডের বিনিয়োগ ঝুঁকির কথাও মাথায় রাখতে হবে । এর আগে অনেক প্রকল্পের বাস্তবায়নে অনিয়ম লক্ষ্য করা গেছে। ইইএফ নীতিমালা সহজিকরণ করা হয়েছে ও সম্ভাবনাময় নতুন নতুন খাত অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধান বলেন, দেশের কৃষিজ সম্পদের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষিখাতের সম্প্রসারণের বিষয়ে ইইএফ সহায়তাপ্রাপ্ত প্রকল্পগুলো বিশেষ অবদান রাখছে। প্রাণিজ আমিষের উৎপাদন বৃদ্ধিতে ইইএফের মৎস্য এবং মুরগির বাচ্চা উৎপাদনকারী প্রকল্পগুলো বিশেষ অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। মৎস্য ও পোল্ট্রিখাতের উৎপাদন বৃদ্ধিতে ইইএফের আওতায় স্থাপিত উক্তখাতের খাদ্য উৎপাদনকারী প্রকল্পগুলোরও বিশেষ অবদান রয়েছে। কৃষিভিত্তিক প্রকল্প বিশেষত চিংড়ি প্রক্রিয়াজাতকারী প্রকল্প, কুমির চাষ প্রকল্প এবং আইসিটিখাতের রপ্তানিমুখী প্রকল্পসমূহ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে বিশেষ ভূমিকা রাখছে। আইসিটিখাতের প্রকল্পসমূহ দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদার নিরিখে উন্নতমানের সফটওয়্যার তৈরি করছে। এসব সফটওয়্যার দেশের বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও ক্লিনিক এবং পরিবহনখাতসহ অন্যান্যখাতে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে জানান ড. আতিউর রহমান।
ইইএফ এর পরিধি আরো বিস্তৃত ও আরো উদ্যোক্তাবান্ধব করার বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করে গভর্নর বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা গ্রহণকারী উৎসাহী শিল্পোদ্যোক্তারা যাদের প্রয়োজনীয় ইক্যুইটি নেই তাদের এই ফান্ড ব্যবহারের সুযোগ দেয়া যায় কিনা তা দেখা হচ্ছে। নারী উদ্যোক্তা, এনআরবিকে কিভাবে এ ফান্ডের আওতায় আরো সুবিধা প্রদান করা যায় সে বিষয়গুলোও ভাবা হচ্ছে। শিগগিরই কৃষিখাতে নতুন করে ইইএফ সহায়তার জন্যে আবেদন গ্রহণের উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানান তিনি।
ফান্ড থেকে বিগত আট বছরে (২০০১-০৮) যেখানে ২১৬টি কৃষিভিত্তিক প্রকল্পে ৫৬৮ কোটি টাকা মঞ্জুর করা হয়েছিল, সেখানে গত মাত্র দুবছরে (২০০৯-১০) ৪০১টি কৃষিভিত্তিক প্রকল্পে ৬৪২ কোটি টাকা এবং বিগত ছয় বছরে (২০০৩-০৭) যেখানে আইসিটিখাতে ৩৩টি প্রকল্পে ৫৮.৪১ কোটি মঞ্জুর করা হয়েছিল, সেখানে গত এক বছরে (২০০৯-১০) এ খাতে ১৪টি প্রকল্পে ১৮.৯৮ কোটি টাকা মঞ্জুর করা হয়েছে
No comments:
Post a Comment